অর্থমন্ত্রী পদে সম্ভবত ফিরছেন অমিত মিত্রই! একনজরে মমতার নয়া মন্ত্রিসভা নতুন মুখ কাদের দেখা যেতে পারে

[ad_1]

একাধিক মুখ নিয়ে জল্পনা

মমতার নতুন মন্ত্রিসভায় কারা জায়গা পেতে চলেছেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। যেহেতু এ বার প্রচুর নতুন মুখকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই জয়লাভ করেছেন। ফলে মন্ত্রিসভাতেও একাধিক নতুন মুখ থাকার সম্ভাবনাও যথেষ্ট উজ্জ্বল। উঠে আসছে একাধিক তারকার নামও। অনেকেই বলছেন প্রবীণ এবং অভিজ্ঞরা তো থাকবেনই, তবে এবার মমতার মন্ত্রিসভা একেবারে তরুণ-তুরকিদের নিয়ে সাজানো থাকবে। আগামী ৯ মে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। মমতাও চাইছেন, মন্ত্রিসভাকে ঢেলে সাজিয়ে নতুনভাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সরকার পরিচালনা করতে। তবে শোনা যাচ্ছে, নয়া মন্ত্রিসভা নিয়েও নাকি প্রশান্ত কিশোরের আইডিয়া নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ দফতরের দায়িত্বে সম্ভবত অমিত মিত্র!

অর্থ দফতরের দায়িত্বে সম্ভবত অমিত মিত্র!

নাম ঘোষণার সময়ে মুখমন্ত্রীকে কেউ প্রশ্ন করেন কে হবেন অর্থমন্ত্রী? যেহেতু অসুস্থতার কারণে অমিত মিত্র এবার ভোটে দাঁড়াননি সেহেতু স্বভাবতই মমতার নয়া মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীকে হবেন তা নিয়ে জল্পনা রয়েছেই। যদিও সেই সময় মমতা প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছিলেন, আমার হাতেই থাকবে অর্থ দফতরের দায়িত্ব। যদিও সূত্র বলছে সম্ভবত এই দফতরের দায়িত্বে ফের অমিত মিত্রকেই আনা হবে। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে বলেও খবর। এমনটাই তৃণমূল সূত্রে খবর

খড়দহ থেকে জিতিয়ে আনা হবে অমিত মিত্রকে

খড়দহ থেকে জিতিয়ে আনা হবে অমিত মিত্রকে

শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচনী লড়াই থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন। তাঁর বদলে খড়দহে অমিত মিত্র্রর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৈনিক হিসেবে এগিয়ে দিয়েছিলেন স্থানীয় জনপ্রিয় নেতা কাজল সিনহাকে। অবশ্য ভোটের পরদিনই কোভিড আক্রান্ত কাজল সিনহার মৃত্যু হয়। রবিবারের ফলাফলে দেখা যায়, কাজল সিনহা বিপুল ভোটে খড়দহ থেকে জিতেছেন। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। তবে কি ফের পুরনো কেন্দ্রেই লড়বেন অমিত মিত্র? কারণ, তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও এক কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। সেক্ষেত্রে চেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকেই হয়ত ফের লড়বেন তিনি।

কারা কোন দফতর পেতে পারেন

কারা কোন দফতর পেতে পারেন

মমতার মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুনজরে রয়েছেন তিনি। বিশেষ করে তাঁর জীবনযাপন নজর কেড়েছে তাঁর। এমনকি মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনও রিক্স চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁকেই এবার অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী করা হতে পারে বলে খবর। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে মন্ত্রিত্ব পেতে পারেন পরেশ চন্দ্র অধিকারী। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। কারন এবার প্রাক্তন দুই মন্ত্রী অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং গৌতম দেব ভোটে পরাজিত হয়েছেন। ফলে পরেশ অধিকারীর নাম সামনে আসছে। সামনে আসছে বিপ্লব মিত্রের নামও। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু একটা সময়ে বিজেপিতে গেলেও ফের তৃণমূলেই ফেরেন বিপ্লব। উত্তরবঙ্গে তাঁর নেতৃত্বেই তৃণমূলের সংগঠন মজবুত হয়েছে। পায়ের তলার মাটি ফিরে পেয়েছে তৃণমূল। আর তাই বিপ্লব মিত্রকে মন্ত্রী করে পুরস্কৃত করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্ত্রী হিসাবে ফিরবেন মদন

মন্ত্রী হিসাবে ফিরবেন মদন

রাজ্যের পরিবহন দফতর ফের ফিরে পেতে পারেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন বিরবাহা হাঁসদা। আদিবাসী সমাজের মেয়ে। জনপ্রিয়তাও রয়েছে। আর তাই তাঁকে আধিবাসী মানুষের দুঃখ দুর্দশা কাটাতে এবং মন বুঝতে বিরবাহাকে গুরু দায়িত্ব মমতা দিতে পারেন। সূত্রের খবর, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী হতে পারেন বিরবাহা। অন্যদিকে, চন্দননগরের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে এ বার পর্যটন দফতরের পূর্ণমন্ত্রী করতে পারেন মমতা। ব্রাত্য বসুকে শিক্ষা দফতরে ফিরিয়ে আনতে পারেন মমতা। একাধিক বিষয় নিয়ে চাপে শিক্ষাদফতর। আর সেই কারনে ব্রাত্যকে সামনে রেখেই শিক্ষা দফতরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন মমতা। । এও শোনা যাচ্ছে, শিক্ষা দফতরের কাজে আরও স্বচ্ছতা আনতে উচ্চশিক্ষা এবং স্কুল শিক্ষা দফতর দু’টিকে দু’ভাগে ভাগ করে পৃথক দুই মন্ত্রীর কাঁধে দায়িত্ব তুলে দিতে পারেন নেত্রী।

মনোজ তিওয়ারি পেতে গুরু দায়িত্ব

মনোজ তিওয়ারি পেতে গুরু দায়িত্ব

অন্যদিকে অভিজ্ঞতা রয়েছে সেচ দফতর পরিচালনার। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই দফতর বেশ ভালো কাজ করেছিল। আর সেই ধারাই ধরে রাখতে চান মমতা। আর সেই কারনে রাজ্যের সেচ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন ডা. মানস রঞ্জন ভুঁইয়া। নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক আসতে পারেন মন্ত্রিসভায়। মনোজ তিওয়ারিকে দেওয়া হতে পারে ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রক। হুগলির বিধায়ক তথা প্রাক্তন সংসদ রত্না দে নাগ হতে পারেন স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। এমনটাই সূত্রেত খবর।

পুরস্কৃত হতে পারেন অখিল গিরি

পুরস্কৃত হতে পারেন অখিল গিরি

অন্যদিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, কৃষি মন্ত্রী হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার। সিঙ্গুর জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্নাও মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন। হাওড়া থেকে অরূপ রায়ের পাশাপশি মন্ত্রিসভায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে পুলক রায়ের। মালদার সুজাপুর আসনের বিধায়ক আবদুল গনি পেতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কলকাতায় দেবাশীষ কুমার ও দেবব্রত মজুমদারে মধ্যে একজন হতে পারেন প্রতিমন্ত্রী। অখিল গিরি মমতার মন্ত্রিসভায় গুরু দায়িত্ব পেতে পারেন। যেভাবে অধিকারী গড়ে তিনি এবং তাঁর টিম অধিকারী পরিবারকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে দিয়েছেন তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুশি। আর তাই তাঁকে মন্ত্রী পদে আনতে পারেন মমতা। বেশ কয়েকজন তারকারও মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মধ্যে থেকে রাজের নাম সামনে আসছে। তথ্য সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে তাঁকে। এমনই বেশ কিছু সম্ভাব্য নাম উঠে আসছে মমতার মন্ত্রিসভায় যারা জায়গা করে নিতে পারেন।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *