অসমে ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা, আগে থেকেই সতর্ক হল কংগ্রেস, শরিকি দলের প্রার্থীদের সরান হল জয়পুরে, Assam congress alliance candidate flown to Jaipur to protect from hors treding

[ad_1]

অসমে ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা

সবে ভোট শেষ হয়েছে অসমে তারমধ্যেই ঘোড়া কেনা বেচার আশঙ্কা করছে কংগ্রেস। তাই আগে থাকতেই সতর্ক হয়েছেন তাঁরা। কয়েকদিন আগেই বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে ইভিএম দেখা গিয়েছিল। তারপরেই কমিশনে নালিশ জানিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্গা গান্ধী। পরে সেই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে কমিশন। কিন্তু তাতে শান্তি পাচ্ছেন না তাঁরা। যেকোনও মূল্যে কংগ্রেসের শরিক প্রার্থীদের কেনার চেষ্টা করবে বিজেপি এমনই আশঙ্কা করছে অসম কংগ্রেস।

জয়পুরে সরানো হল শরিক দলের প্রার্থীদের

জয়পুরে সরানো হল শরিক দলের প্রার্থীদের

ঘোড়া কেনবেচার আসঙ্কায় আগে থেকেই তৎপর কংগ্রেস। ২২ জন শরিক দলের প্রার্থীকে জয়পুরে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অসম থেকে। মৌলনা বদরুদ্দিন আজমলের নেতৃত্বে গঠিত অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট, বোরোল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট, বামফ্রন্ট এই তিন শরিক দলের প্রার্থীদের জয়পুরে নিয়ে গিয়ে একটি রিসর্টে রাখা হয়েছে। রণদীপ সুরজেয়ালা জানিয়েছেন রেজাল্ট বেরোনো আগে থেকেই বিজেপি টাকার লোভ দিয়ে এই শরিক দলের প্রার্থীদের কেনার চেষ্টা করবে।

আশঙ্কা করছেন মমতাও

আশঙ্কা করছেন মমতাও

পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ঘোড়া কেনাবেচা করতে পারে এমন আশঙ্কা করেছেন শাসক দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রচার সভায় গিয়ে দাবি করেছেন ২০০ আসনের বেশি ভোট না পেলে বিজেপি গদ্দারদের কিনে নিয়ে সরকার গড়বে। অর্থাৎ বঙ্গে যে বিজেপি ঘোড়া কেনাবেচা করে সরকার গড়ার ছক কষতে শুরু করে দিয়েছে তার আন্দাজ করতে পারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার এই বার্তার পরেই বঙ্গের রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গড়ার চেষ্টা

ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গড়ার চেষ্টা

অসমে বিজেপি সরকার থাকলেও এনআরসি এবং সিএএ-র কারণে অসমে একটু চাপে রয়েছে বিজেপি। সেকারণেই নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করতে ঘোড়া কোনাবেচার কৌশল তারা নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গড়ার চেষ্টায় রয়েছে বিজেপি। তাহলে ঘোড়া কেনাবেচা সহজ হবে বিজেপির পক্ষে। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *