কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সুসম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে! মোদীর পালটা টুইটে জানালেন মমতা

[ad_1]

West Bengal

oi-Kousik Sinha

আরও এক ইতিহাস। একেবারে টাইম ধরে শপথ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বারের জন্যে ফের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মেয়ে। করোনা পরিস্থিতিতে খুব ছোট করেই করা হয় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।

pradhanamantrike dhanyabad janiye tuit mamatar

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট মমতার

মোদীর পালটা টুইটে জানালেন মমতা

মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সেরে নবান্নে পৌঁছে যান মমতা।

সেখানে পুলিশের তরফে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। সেই অনুষ্ঠান সেরেই ১৪ তলার দফতরে পৌঁছলেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরের জন্যে যখন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চলেছেন মমতা ঠিক সেই সময় তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

ট্যুইটে মমতাকে দিদি বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার জন্য মমতা দিদিকে শুভেচ্ছা।

কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নয়ন ও কোভিড মহামারী কাটিয়ে উঠতে সর্বত সাহায্য করবে।’ এরপরেই পালটা জবাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কার্যত কিছুটা হলেও কৌশলী বার্তা নেত্রীর।

পাল্টা ট্যুইটে মমতা লেখেন, ‘ধন্যবাদ নরেন্দ্র মোদীজি আপনার শুভেচ্ছার জন্য। পশ্চিমবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের সাহায্যের দিকে আমি তাকিয়ে আছি। আমি আমার তরফে সমস্ত সহযোগিতা বাড়িয়ে দেব এই মহামারী রুখতে এবং কেন্দ্র-রাজ্য সুসম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে।’

উল্লেখ্য, বিপুল ভোটে জয়ের পরেই কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা করেই চলতে চান বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি তিনি এও বলেছেন, জয়ের পরে অরবিন্দ্র কেজরিওয়াল, উদ্ধব ঠাকরে, নবীন পট্টনায়েক, অখিলেশ যাদব, রজনীকান্ত, তেজস্বী যাদব তাঁকে ফোন করেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে ফোন করেননি। আর তা নিয়ে আক্ষেপ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটা প্রথমবার হল।

তবে তিনি তাতে কিছু মনে করেননি বলেই জানিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেননা প্রধানমন্ত্রী হয়তো ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি সমসময় সাহায্যের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এক হাতে তালি বাজে না। কিন্তু এবার আর রিস্ক নিলেন না।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতার শপথের পরেই টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী। দিদি বলে ডাকলেন তিনি। বলে রাখা প্রয়োজন বাংলার ভোট প্রচারে মমতাকে ‘দিদি ও দিদি’ ডাকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মোদী যা নিয়ে সমালোচনার ঝড়ও উঠেছিল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের মতে এবারের নির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রের সঙ্গে অসহযোগিতা এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু না করা সহ একাধিক অভিযোগ তুলে ভোট প্রচারে গিয়েছিল বিজেপি। মমতারও পাল্টা অভিযোগ ছিল, রাজ্যের প্রাপ্য টাকা না দেওয়ার বিষয়ে।

দুপক্ষই সমানে সমানে টক্কর দেয়। এই অবস্থায় কেন্দ্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে রাজি মমতা। আর তা অবশ্যই দৃষ্টান্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *