কেন নন্দীগ্রামে হার মমতার? বিশ্লেষণের মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রীর মায়ের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কাজের অভিযোগ

[ad_1]

বনশ্রী খাঁড়ার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন শিউলি। শুভেন্দুকে ঠেকাতে শিউলির উপরেই অনেক টা ভরসা রাখছেন মমতা। কারণ ভুমিকন্যাকে সামনের রেখেই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়তে চান মমতা। আর এরই মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার মায়ের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কাজের অভিযোগ। নন্দীগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বনশ্রী খাঁড়ার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবআ আনল অন্যান্য সদস্যরা। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রামের ভোটে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অনাস্থা এনে বিডিওকে চিঠি দিলেন পঞ্চায়েতের ১১ জন সদস্য।

মমতার হার নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ

মমতার হার নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই হার নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে দলের অন্দরে। আর এরমধ্যেই নন্দীগ্রামের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দল বিরোধী কাজ করার অভিযোগ তুলল তৃণমূল। এমনকি পঞ্চায়েত প্রধান বনশ্রী খাঁড়ার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে বিডিওকে চিঠি পাঠিয়েছে পঞ্চায়েতের ১১ জন সদস্য। ভাগ্যক্রমে নন্দীগ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান বনশ্রী খাঁড়া আবার রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার মা। আর এই নিয়ে এখন চাঞ্চল্য তৃণমূলের অন্দরে।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রীর মা

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রীর মা

যদিও বনশ্রীদেবী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন আগেই পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। আজ হঠাত অনাস্থা আনার মানে কি? পালটা প্রশ্ন তুলেছেন বনশ্রীদেবী। একই সঙ্গে তৃণমূলের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চলেছে নন্দীগ্রামজুড়ে। একাধিক সাধারণ মানুষের দোকান ভাঙা হয়েছ। এই অবস্থায় তাঁদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছিলাম। সাহায্য করেছিলাম। সেই কারণেই এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক রঙ না দেখেই সাহায্য করাটা কি অন্যায়? প্রশ্ন মন্ত্রীর মায়ের।

গদ্দার লুকিয়ে রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মমতা

গদ্দার লুকিয়ে রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মমতা

একুশের নির্বাচনের আগে বহু দলবদলের রাজনীতি দেখেছে রাজ্য। ঝাঁকে ঝাঁকে তৃণমূলের নেতা, কর্মী-সমর্থকরা যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। অনেকেই আবার বিজেপি থেকে পেয়েছেন নির্বাচনে লড়াই করার টিকিট। আবার তৃণমূল এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনও বলেছিলেন যে, দলের অন্দরেই অনেক গদ্দার লুকিয়ে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এও বলেছিলেন যে, তৃণমূল ২০০ আসন না পেলে সেই গদ্দাররা বিজেপিতে যোগ দেবে। তবে তেমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় নি তৃণমূলকে। একাই বিপুল সংখ্যাদরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রীর মায়ের বিরুদ্ধে দল বিরোধী কাজ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অন্দরে।

শিউলির উপর ভরসা মমতার

শিউলির উপর ভরসা মমতার

মুকুল ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত শিউলি। একটা সময় সাসপেন্ডও করা হয়েছিল। কিন্তু এবার তাঁর উপরেও ভরসা রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসাবে কাজ করছেন। আর এর মধ্যে এই বিতর্ক নিঃসন্দেহে চাপ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করতে চাননি শিউলি।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *