টার্গেট মোদী হটাও, মমতাকে সামনে রেখে ২০২৪-এর লড়াই শুরু বিরোধীদের

[ad_1]

টার্নিং পয়েন্ট

জীবনে সব থেকে কঠিন নির্বাচনী লড়াইয়ে জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন মহিলা আর যুবকরা তাঁর প্রতি বিশ্বাস রেখে এগিয়ে এসেছেন। তাই তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ, বলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর এই জয়কেই টার্নিং পয়েন্ট বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেননা ২০২৪-এর নির্বাচনের আগে এই জয় কেন্দ্র সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানাবে বলেই মনে করেন তিনি।

 জাতীয় রাজনীতিতে ?

জাতীয় রাজনীতিতে ?

জয়ের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশ্ন ছিল তিনি কি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে বড় কোনও ভূমিকে নিতে চলেছেন ? তাঁর উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি কে? তিনি একজন সাধারণ মানুষ মাত্র। তিনি খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তি নন। ভবিষ্যতে তিনি অন্য বিরোধীদলের বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁদেরকে তিনি সাহায্যও করবেন।

 বিরোধী শিবিরে উচ্ছ্বাস আর অভিনন্দনের বন্যা

বিরোধী শিবিরে উচ্ছ্বাস আর অভিনন্দনের বন্যা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের পর থেকেই উচ্ছ্বাস আর অভিনন্দনের বন্যা সারা দেশের বিরোধী শিবির থেকে। সব নেতাই মোদী-শাহের সঙ্গে মমতার লড়াকু ভূমিকার প্রশংসা করছেন। এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার বলেছেন, দুর্দান্ত জয়ের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ২০২৪-এর নির্বাচনের আগে সব থেকে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশে ভোট হবে। সেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিজেপির ঘৃণার রাজনীতিকে তিনি বাংলায় হারিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেছেন অখিলেশ। তাঁর দলের অপর নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় দীর্ঘদিন মন্ত্রী থাকা কিরণময় নন্দ বলেছেন, ২০২৪-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াইয়ে প্রস্তুত তাঁর দল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে, লালুপ্রসাদ যাদব, মায়াবতী এবং ওমর আবদুল্লাও।

 সনিয়া ও কংগ্রেসের অভিনন্দন

সনিয়া ও কংগ্রেসের অভিনন্দন

রাহুল গান্ধী তামিলনাড়ুতে তাঁদের জোট সঙ্গী ডিএমকের স্ট্যালিনকে অভিনন্দন জানালেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তা করেননি। তবে দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি বাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপির টাকা ও পেশিশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তিনি। সনিয়া গান্ধীও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এবারের নির্বাচনে রাজ্যে কংগ্রেস কোনও আসন না পাওয়ার ব্যর্থতার দায় অনেকটাই সভাপতি অধীর চৌধুরীর কাঁধে গিয়ে পড়ছে বলেই দাবি কংগ্রেস হাইকমান্ডের অনেক নেতার। ফলে ২০২৪-এর নির্বাচনে হাইকমান্ড যদি তৃণমূলের সঙ্গে জোট করতে চায় তার প্রস্তুতিও এখন থেকে শুরু করতে চায় হাইকমান্ডের একাংশ। এক্ষেত্রে অধীর চৌধুরীকে সেই সিদ্ধান্ত মানতে হবে, অথবা অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

loadingপশ্চিমবঙ্গে ধাক্কা খেল বিজেপি, হারের জন্য যেসব কারণ উঠে আসছে

 দেশবাসীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দাবি

দেশবাসীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দাবি

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলের দিনেই দেশবাসীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দাবিতে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেই বিবৃতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন শরদ পাওয়ার, সীতারাম ইয়েচুরি, উদ্ধব ঠাকরে, সনিয়া গান্ধী। যদিও এই দাবি সব থেকে প্রথমে তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। দলের জয়ের দিনে তিনি সেই দাবি আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *