তিনি ২৩৫-এর দম্ভ দেখেছেন! এবারের বিধানসভায় তিন ‘ইতিহাস’ স্মরণ করতে গিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

[ad_1]

ঘরছাড়া বহু কর্মী

এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে একেবারে নিচুতলায় কাজ করা প্রায় লক্ষাধিক কর্মী ঘরছাড়া। তিনি আরও অভিযোগ করেন, শুধু বিজেপি কর্মীরাই নন, অন্য দলে ভোট দেওয়া এক বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষজনও ঘরছাড়া হয়েছেন।

তিনি এব্যাপারে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং-এর একটি গ্রামের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে পুরো গ্রাম অত্যাচারের সামিল। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় এক বিজেপি কর্মীকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তিনি করেছেন।

দেশের মধ্যেই শরণার্থী

দেশের মধ্যেই শরণার্থী

এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শোনা যায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে শরণার্থীরা যান। কিন্তু দেশের মধ্যেই শরণার্থী। এরাজ্যের কোচবিহার থেকে মানুষ গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন অসমে। অসম সরকার তাঁদের শরণার্থীর স্বীকৃতি দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এর থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না।

২৩৫-এর দম্ভ দেখেছেন

২৩৫-এর দম্ভ দেখেছেন

এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি ২৩৫-এর দম্ভ দেখেছেন। তৃণমূলের নাম না করে তিনি বলেন, আপনারা এখনও ২৩৫ পর্যন্ত যাননি। তিনি এব্যাপারে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমরা ২৩৫ আর ওরা ৩০-এর মন্তব্যেরও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে সবসময় মানুষই শেষ কথা বলে।

হিংসা মুক্ত বাংলা লক্ষ্য

হিংসা মুক্ত বাংলা লক্ষ্য

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর লক্ষ্য হিংসা মুক্ত বাংলা। তিনি চান শান্তির বাংলা। সংসদীয় রীতি-নীতি মেনে প্রতিবাদ করতে চান তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর অঙ্গীকার হল করোনা মোকাবিলাসহ কাজে গঠনমূলক সহযোগিতা করা।

দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন

দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সংবিধান মেনে তাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা পালন করার চেষ্টা করবেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি শুধু সরকারি দলের বিধায়কই ছিলেন না, ২০০৬ সালে ২৯ জন বিধায়কের একজন ছিলেন। সেই সময় বিধায়ক ছিলেন অর্জুন সিংও। এদিন সেই অর্জুন সিংও উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি দুবারের সাংসদ এবং তিনবারের বিধায়ক। সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন।

বিধানসভায় তিন ইতিহাস

বিধানসভায় তিন ইতিহাস

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এবারের বিধানসভায় একজন পরাজিত প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। যা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলায় কোনও সময় হয়নি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০১১ সালে জেতার সময় সাংসদ ছিলেন মাননীয়া। তারপর তিনি ভোটে জিতেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এই প্রথমবার বিধানসভায় কংগ্রেস ও বামপন্থীদের কোনও সদস্য নেই। আর এটাও প্রথম যখন রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির ৭৭ জন সদস্য রয়েছেন।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *