দিব্যেন্দু অধিকারী কি বরখাস্ত হবেন? তৃণমূলের জেলা কমিটির রিপোর্টে বাড়ছে রহস্য

[ad_1]

দিব্যেন্দুকে নিয়ে জেলা কমিটির সুপারিশ

সম্প্রতি তৃণমূলের জেলা কমিটি পূর্ব মেদিনীপুরের সংগঠন নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেছিল। সেখানেই দিব্যেন্দুকে নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে তৃণমূল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, রাজ্যে ৮ দফা ভোটে দিব্যেন্দু অধিকারী নিষ্ক্রিয়ই ছিলেন। তৃণমূলের রাজ্য কমিটিকে দেওয়া রিপোর্টের পর জেলা কমিটি সুপারিশ করেছে, দিব্যেন্দুকে কড়া শাস্তি দেওয়ার হোক।

জেলার সুপারিশের পর সৌমেনের বার্তা

জেলার সুপারিশের পর সৌমেনের বার্তা

সেইসঙ্গে জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র জানিয়েছেন, শীর্ষ নেতৃত্ব যে পদক্ষেপ নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। তাঁরা শুধু সুপারিশ করেছেন মাত্র। তিনি আগেও বলেছিলেন, আবারও বলেন, এটা অনধিকার চর্চা। দিব্যেন্দু অধিকারী একজন সাংসদ, তাঁর ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে রাজ্য নেতৃত্বই। এ ব্যাপারে জেলা নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাঁরা শুধু মতামত জানাতে পারেন।

দিব্যেন্দুর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূল কংগ্রেসে

দিব্যেন্দুর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূল কংগ্রেসে

তৃণমূলের দিব্যেন্দুর ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে বিধানসভা ভোট হয়ে যাওয়ার পর তৃণমূলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। দিব্যেন্দু ভোট-পর্বে বিজেপিতে নাম লেখাননি। তৃণমূলের হয়েও কাজ করেননি। তাই নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁকে নিয়ে।

জেলা তৃণমূলের সুপারিশ দিব্যেন্দু অধিকারীকে নিয়ে

জেলা তৃণমূলের সুপারিশ দিব্যেন্দু অধিকারীকে নিয়ে

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিব্যেন্দু সরাসরি বিজেপি না করলেও পরিবারের অন্যদের মতোই তিনিও বিজেপির দিকে ঢলে ছিলেন, এমন প্রমাণ তাদের কাছে আছে। পরিবারের বাইরে গিয়ে তিনি যে অন্য দল করার মানসিকতা দেখাবেন, তাও সুস্পষ্ট হয়নি, তাই তাঁর কঠোর শাস্তি হওয়াই দরকার বলে মনে করে জেলা তৃণমূল।

তৃণমূল ও দিব্যেন্দু- উভয়েরই ধীরে চলো নীতি

তৃণমূল ও দিব্যেন্দু- উভয়েরই ধীরে চলো নীতি

তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব কিন্তু অন্য কথা ভাবছে। তাঁরা মনে করছেন, শাস্তি মানে বহিষ্কার। বহিষ্কার করলে দিব্যেন্দু সাংসদ থেকে যেতে পারবেন অবলীলায়। এখনও তিন বছর বাকি লোকসভা ভোটের তাই দিব্যেন্দুকে নিয়ে এত কাঁচা কাজ করতে চায় না তৃণমূল কংগ্রেস। দি্ব্যেন্দু যেমন দেখছে তৃণমূল কী করে, তেমনই তৃণমূলও অপেক্ষা করতে চাইছে বিষয়টি নিয়ে।

শুভেন্দুর অনুগামীমুক্ত তৃণমূল গঠনের লক্ষ্যে

শুভেন্দুর অনুগামীমুক্ত তৃণমূল গঠনের লক্ষ্যে

বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর অধিকারী পরিবার ঘনিষ্ঠ নেতাদের ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা তৃণমূল। ইতিমধ্যে এক প্রাক্তন বিধায়ক-সহ দুই নেতাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু শুভেন্দুর ঘরেই এখনও তৃণমূল রয়ে গিয়েছে। শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু বিজেপিতে যোগ দেননি, তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন। তবে নিষ্ক্রিয়ভাবেই রয়েছেন। তাই তাঁকে নিয়েও ভাবিত জেলা তৃণমূল।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *