দিলীপ-কৈলাশ-অরবিন্দ মেননদের বিরুদ্ধে সরব তথাগত রায়, দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তলব

[ad_1]

তথাগত রায়ের টুইট নিয়ে বিতর্ক

ভোটের ফল বেরনোর পরেই ফলাফল নিয়ে টুইট করেছিলেন ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। সেখানে তিনি বলেছিলেন, পায়েল শ্রাবন্তী পার্নো ইত্যাদি ‘নগরীর নটীরা’ নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে ? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কী ? পরে একটি সংশোধন করে তিনি অবশ্য বলেছেন পার্নো মিত্র নয়, তনুশ্রী চক্রবর্তী মদন মিত্রের সঙ্গে সেলফি তুলেছিলেন।

প্রার্থীদের মান নিয়েও কটাক্ষ

প্রার্থীদের মান নিয়েও কটাক্ষ

পাশাপাশি এইসব প্রার্থীদের মান নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তথাগত রায়। অপর এক টুইটে তিনি বলেছিলেন, বিজেপি শুধু নির্বাচনের টিকিটই দেয় না, তার নির্বাচনে লড়াই করার জন্য টাকাও দেয়। হেরে যাওয়া এইসব প্রার্থীদের সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, টিভি-চলচ্চিত্র অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে বিজেপি কেন, কোনও দিন কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক ছিল না। হেরে যাওয়া তিন মহিলা প্রার্থীকেই তিনি রাজনৈতিকভাবে বোকা বলে কটাক্ষ করেছিলেন।

নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও নিশানা

নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও নিশানা

তথাগত রায়ের বিতর্কিত টুইটের পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন তারা অসম লড়াই করেছেন। রেকর্ড আসনে জয় পেয়েছেন। নাম না করে তিনি কটাক্ষ করে বলেছিলেন কেউ কল্পনা জগতে রয়েছে। যা নিয়ে পাল্টা তথাগত রায় বলেছিলেন, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোন আর ফিটার মিস্ত্রির শংসাপত্র থাকা নেতার থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না।

দিল্লিতে তলব তথাগত রায়কে

দিল্লিতে তলব তথাগত রায়কে

একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য, যা থামার কোনও আশা দেখা যাচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এসে পড়ছিল বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্যকে কুরুচিপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছিলেন দলের একাংশ। এরপরেই তথাগত রায়কে ডেকে পাঠানো হল দিল্লিতে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *