ধরাশায়ী বামেদের তরুণ ব্রিগেড, হারের কারণ একমত সবাই

[ad_1]

সৃজন ভট্টাচার্য

নিজের হার নিয়ে সিঙ্গুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য বলেছেন, সাম্প্রদায়িক শক্তি হেরেছে আর সাম্প্রদায়িক শক্তিকে যারা বাংলায় বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে, তারা জিতেছে। সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন দেখানো সিপিএম-এর এবারের প্রার্থী হেরেছেন সেখানকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বেচারাম মান্নার কাছে। এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা সৃজন বসেছেন, রুটি-রুজির লড়াইকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ফিরিয়ে আনার লড়াই তাঁরা চালিয়ে যাবেন। গত দুই নির্বাচনেও এই আসনে সিপিএম পরাজিত হয়েছিল।

দীপ্সিতা ধর

দীপ্সিতা ধর

বালি বিধানসভায় তৃতীয় স্থানে সিপিএম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর। গত দুই নির্বাচনেও এই আসনে সিপিএম পরাজিত হয়েছিল। তিনি বলেছেন, যাঁরা তৃণমূল কিংবা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, তাঁরা যদি প্রয়োজনে ফোন করেন, তাহলে পাশে গিয়ে দাঁড়াব। তিনি আরও বলেছেন, নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপরেও মানুষের মনে হয়েছে চোর-ডাকাতদের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি অভিযোগ করেছেন, এলাকায় জেতার পরে তৃণমূল তাদের একাধিক পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে।

ঐশী ঘোষ

ঐশী ঘোষ

ঐশী জামুড়িয়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এই আসনে গত দুই নির্বাচনেও জিতেছিল সিপিএম। কিন্তু এবার সেই আসন ধরে রাখতে পারল না সিপিএম। তৃণমূলের শ্রমিক নেতা হরেরাম সিং-এর কাছে পরাজিত হয়েছেন। ঐশী বলেছেন, এবারের ভোটে মেরুকরণের রাজনীতি হয়েছে। তিনি বলেছেন, ৫০০ কোটির কর্পোরেট সংস্থা তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছে।

এবারের ভোটে পরাজিত হয়েছে নন্দীগ্রামের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, কামারহাটিতে সায়নদীপ মিত্র, ডায়মন্ডহারবারে প্রতীক-উর-রহমান, ঝাড়গ্রামে মধুজা সেন রায়, খড়দায় দেবজ্যোতি দাস, কসবায় শতরূপ ঘোষ।

কারণ সবার একই

কারণ সবার একই

তরুণ তুর্কিদের প্রায় সবাই বলেছেন, ভোট ভাগ হয়েছে দুই ভাগে। কেউ তৃণমূলকে রোখার জন্য বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপিকে রোখার জন্য তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন বাকিরা। সেখানে সংযুক্ত মোর্চা তথা সিপিএম-এর প্রার্থী ধারে কাছে আসতে পারেননি কোথাও।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *