বামেরা অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে একুশের নির্বাচনে, তবু আলোর রেখার খোঁজ চলছে

[ad_1]

সিপিএমের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট শূন্য হয়ে গিয়েছে বিধানসভায়

এতদিন মনে হচ্ছিল বামপন্থীরা যে কোনও সময় ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে। শেষপর্যন্ত লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে তাঁরা ফিরে যাবে না। কিন্তু বেঙ্গল কমরেডদের জন্য সেই সামান্য জায়গাটুকুও রাখেনি একুশের নির্বাচন। ১৯৫২ সালের নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো সিপিএমের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট শূন্য হয়ে গিয়েছে বিধানসভায়।

২০১১-য় ৬২, একুশে বামেদের ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’ অবস্থা

২০১১-য় ৬২, একুশে বামেদের ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’ অবস্থা

২০১১ সালে বামপ্রন্টকে হারিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্য ক্ষমতায় এসেছে। বামফ্রন্ট ২০১১ সালে ৬২টি আসন জিতেছিল। আর কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার পরে ২০১৬ সালে তা ৩২-এ নেমে এসেছিল। আর ২০২১-এ কিছুই নেই। শূন্য। বামফ্রন্টের হারানো জায়গা নিয়েছে বিজেপি। ভোটব্যাঙ্কেও চূড়ান্ত ধস নেমেছে।

ভোট শতাংশের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস তলানিতে বামেদের

ভোট শতাংশের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস তলানিতে বামেদের

২০১১ সালে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বামেরা। ২০১৬ সালে তা প্রায় ২০ শতাংশে নেমে এসেছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তা মাত্র পাঁচ শতাংশে নেমে গিয়েছে। বামফ্রন্ট নেতারা ভোটের আগে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও ভোটের ফল দেখে তাঁদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে নামতে বাধ্য।

বাংলার মানুষ বামপন্থীদের উপর তো বিশ্বাস রাখল না?

বাংলার মানুষ বামপন্থীদের উপর তো বিশ্বাস রাখল না?

এই অবস্থায় পার্টির আত্মসমালোচনা এবং মূল্যায়নের প্রয়োজন। এটা সত্য যে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে বেছে নিয়েছিল। কারণ এটি ছিল সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই। কিন্তু কেন বাংলার মানুষ বামপন্থীদের উপর বিশ্বাস রাখল না? এর ব্যাখ্যায় বাম নেতারা বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছতে পারিনি। পতন অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।

কমিউনিস্ট রাজনীতি কখনই পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হবে না

কমিউনিস্ট রাজনীতি কখনই পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হবে না

বাম নেতারা মনে করছেন, “আমরা আমাদের ক্যাডারকে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে রক্ষা করতে পারিনি, তাই তাদের কেউ কেউ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং কেউ কেউ তৃণমূলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ফলে আমাদের সংগঠনগুলি ক্ষয়িষ্ণু হয়ে গিয়েছে। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির একজন প্রবীণ সদস্য অবশ্য বলেছিলেন যে কমিউনিস্ট রাজনীতি কখনই পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হবে না।

দলের পুরনো মুখ সরিয়ে নতুন মুখ আনতে হবে

দলের পুরনো মুখ সরিয়ে নতুন মুখ আনতে হবে

বাংলায় সিপিএমকে শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। কমিউনিস্ট রাজনীতি বা বামপন্থী চিন্তাভাবনা কখনওই থেমে থাকে না। তবে এখানকার রাজনৈতিক দলকে নতুন করে শুরু করতে হবে। যে তরুণ প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তাদের বৃহত্তর ভূমিকায় আনতে হবে। দলের পুরনো মুখ সরিয়ে নতুন মুখ আনতে হবে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *