ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে উত্তপ্ত বাংলা! রাজ্যপালকে ফোন করে বিস্তারিত খোঁজ নিলেন উদ্বিগ্ন মোদী

[ad_1]

জগদীপ ধনকড়কে ফোন প্রধানমন্ত্রীর

বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। ইতিমধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট রাজ্যের কাছে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুধু তাই নয়, উদ্বিগ্ন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। এ দিন টুইটারে বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি লিখেছেন, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগেই এই ইস্যুতে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বাংলায় অশান্তি, হিংসা, লুঠপাটের বর্ণনাও দিয়েছেন। এমনটাও জানিয়েছে রাজ্যপাল।

রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা আসলে অতিরঞ্জিত

রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা আসলে অতিরঞ্জিত

এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর প্রধানমন্ত্রী কটাক্ষ করে টুইট করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি লিখেছেন, রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা আসলে অতিরঞ্জিত। তিনি লিখেছেন, ‘এ সব স্টান্ট বন্ধ করুন আর করোনা বিষয়ক ফোন করুন।’

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগে রাজ্যপাল

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগে রাজ্যপাল

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের। হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করতে বলেছেন। এদিন রাজ্যপাল ট্যুইট করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও রাজ্য পুলিশকে এই অর্থহীন রাজনৈতিক হিংসা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও হুমকি প্রতিরোধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ধরনের ঘটনা গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জাজনক। সারা বিশ্বের সমগ্র বঙ্গ সমাজই আইন-শৃঙ্খলার অভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই কেন ভোট-পরবর্তী হিংসা? গণতন্ত্রের ওপর এই নিগ্রহ কেন?

রাজ্যজুড়ে হিংসা

রাজ্যজুড়ে হিংসা

নন্দীগ্রাম থেকে শীতলকুচি, এমনকী খোদ কলকাতাতেও একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। বেলেঘাটা, শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় ৬ জন খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকাতেও ভাঙচুরের ঘটনা চলছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, আইএসএফের একজনকেও বোমার আঘাতে মেরে ফেলা হয়েছে। শতাধিক বাড়ি, পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রশাসনকে অনুরোধ করব, অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক। শান্তিপূর্ণভাবে এই ইস্যুতে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। কাল রাস্তায় নেমে ধর্না দিয়েও প্রয়োজনে প্রতিবাদ জানানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

অশান্ত বাংলা। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই বিভিন্ন প্রান্তে বিরোধী দলের উপর হামলা। বিজেপির উপর হামলা তো হচ্ছেই, অন্যান্য বিরোধী দলের উপরেও হামলা হচ্ছে। মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। আর এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসল অমিত শাহের মন্ত্রক। নবান্নের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই বিরোধী দলের রাজনৈতিক দলের উপর কেন হামলা? বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এখনও নতুন সরকার গঠন হয়নি। কার্যত কেয়ারটেকার সরকার চলছে। বুধবার শপথ নিতে পারেন মমতা। আর তাঁর আগেই এই রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের। রাজনৈতিকমহলের মতে, কার্যত চাপ সৃষ্টি করতেই এই কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *