ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে চিন্তিত রাজ্যপাল! লক্ষ্মীবারেই বিএসএফের কপ্টারে শীতলকুচি যাচ্ছেন ধনখড়

[ad_1]

কোচবিহার যাচ্ছেন রাজ্যপাল

কোচবিহারের শীতলকুচি যাচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাবেন তিনি। এই বিষয়ে ট্যুইট করে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজ্যপাল ধনখড়। টুইটে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৩ মে বিএসএফের হেলিকপ্টারে হিংসা কবলিত অঞ্চলগুলি পরিদর্শনে যাবেন। শীতলকুচি সহ কোচবিহারের বিভিন্ন হিংসাবিধ্বস্ত অঞ্চলেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন রাজ্যপাল। যদিও এখনও প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ১০ তারিখ থেকে শিরোনামে শীতলকুচি। ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় চারজনের। এরপর থেকেই সংবাদ শিরোনামে সেই এলাকা।

প্ররোচনা দিতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

প্ররোচনা দিতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

রাজ্যপাল ধনখড়ের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে! তাঁর সাগবিধানিক পদের অপমান করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, শীতলকুচি এখন ঠান্ডা রয়েছে। সেখানে কোনও সমস্যা নেই। প্ররোচনা দিতেই রাজ্যপাল সেখানে যাচ্ছেন বলে দাবি কুনালের। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে শীতলকুচিকে নিয়ে। ভোট মিটে গিয়েছে।

কি হয়েছিল শীতলকুচিতে

কি হয়েছিল শীতলকুচিতে

চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় জখম হন আরও কয়েকজন। ঘটনার দিনই তৃণমূলনেত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পরের দিন শীতলকুচিতে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন। কিন্তু, শীতলকুচির ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বলা হয়, ৭২ ঘণ্টার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা কোচবিহারে প্রবেশ করতে পারবেন না। এরপরই মমতা জানিয়েছিলেন, নিষেধাজ্ঞা উঠলেই তিনি শীতলকুচির নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। সেই মতো নিষেধাজ্ঞা উঠলেই শীতলকুচি পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যপাধ্যায়।

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস

ভোট মিটে যাওয়ার পরেও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে শীতলকুচিতে। গত কয়েকদিন আগেই গুলি লেগে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ওই যুবককে বিজেপি তাঁদের সমর্থক বলে দাবি করেছে। যদিও পরিবারের দাবি, কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিল না সে। কিন্তু কীভাবে ঘটল সে ঘটনা? স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকা দখলে কেন্দ্র শীতলকুচিতে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলে বোমা-গুলি। সেই গুলির আঘাতেই মৃত্যু হয় যুবকের। তাঁর পেটে গুলি লাগে বলে জানা যায়। জানা যাচ্ছে, রাজ্যপাল শীতলকুচিতে গিয়ে সেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। এছাড়াও বাহিনীর গুলিতে মৃত চারজনের বাফড়িতেও যেতে পারেন বলে খবর। এছাড়াও ভোটর পর থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহার। একাধিক জায়গাতে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সেই সমস্ত জায়গাতেও রাজ্যপাল যেতে পারেন বলে খবর।

মন্ত্রিসভার শপথের দিনেই ‘হিংসা’ খোঁচা রাজ্যপালের

মন্ত্রিসভার শপথের দিনেই ‘হিংসা’ খোঁচা রাজ্যপালের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে রাজ্যপাল। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান জগদীপ ধনখড়। পরে দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান শেষেই আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। উদ্বেগের সুরে তিনি বলেছেন, ‘হিংসাদীর্ণ এলাকা পরিদর্শনে যাবেন।‘ রাজ্যপালের অভিযোগ, ‘ভোট পরবর্তী হিংসা থামাতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্যদের বললেও কোনও পদক্ষেপ হয়নি। রিপোর্ট পাঠায়নি ডিজি-স্বরাষ্ট্র সচিব।‘ তাঁর আক্ষেপ, ‘ভোটদানের অধিকার অক্ষুন্ন রেখে প্রাণ দিতে হচ্ছে রাজ্যবাসীকে।‘তাঁর মন্তব্য, ‘আপনাদের ভোট যদি মৃত্যু, সম্পত্তিহানি এবং নৈরাজ্যের কারণ হয়, তাহলে বুঝতে হবে গণতন্ত্র শেষের দিকে।‘

শান্ত রয়েছে বাংলা

শান্ত রয়েছে বাংলা

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, শাত রয়েছে বাংলা। উলটে কেদ্রিয় পর্যবেক্ষকদের উপরেই দায় চাপিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস ণিজেদের চোখে দেখতে বাংলায় এসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমত্রকের পর্যবেক্ষকর। বিভিন্ন জায়গাতে ঘুরে ঘুরে ভোট পরবর্তী সত্রাসের ছবি দেখছেন তাঁরা। এই প্রসগে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, অশান্তিতে প্ররোচনা দিতেই বাংলায় কেন্দ্রীয় অফিসাররা এসেছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *