মমতার সৌজন্যে ফিরবে ৫০ বছর আগের প্রথা! ২০১১-এর পর ফের তোড়জোড় একুশে

[ad_1]

বিধান পরিষদ পুনর্গঠন করবেন মমতা!

একুশের ভোটে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, একুশের ভোট যাঁদের প্রার্থী করা গেল না, আগামী দিনে বিধান পরিষদ গঠন করে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করবেন। সেই কথামতো কাজ শুরু করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূলের প্রবীণ নেতাদের ফিরিয়ে আনবেন এই বিধান পরিষদের মাধ্যমেই।

বিধান পরিষদ ফেরানোর প্রতিশ্রুতি

বিধান পরিষদ ফেরানোর প্রতিশ্রুতি

এবার অমিত মিত্র, পূর্ণেন্দু বসুর মতো হেভিওয়েট অনেক নেতা প্রার্থী হননি। আবার অনেক হেভিওয়েট নেতা ভোটে পরাজিত হয়েছেন। তাঁদের অনেককেই দরকার সরকার চালাতে। তাই বিধান পরিষদ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পুরনো টিমকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে শীঘ্রই সচেষ্ট হবেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের মত।

২০১১ সালের পর ফের ২০২১-এ

২০১১ সালের পর ফের ২০২১-এ

২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর বিধান পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছুটা এগিয়েছিলেন। বিধানসভায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে বিধান পরিষদ গঠনের জন্য সভায় প্রস্তাব পেশ করার সিদ্ধান্তও হয়েছিল। এমনকী এই প্রস্তাবের উপর আলোচনাও হয়। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে আর এগোয়নি।

ফিরবে ৫০ বছর আগেকার প্রথা!

ফিরবে ৫০ বছর আগেকার প্রথা!

এবার ভোটের মুখে ফের একবার বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ইঙ্গিত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো হ্যাটট্রিকের সরকার গঠনের পর রাজ্য বিধানসভায় উচ্চকক্ষ দেখতে পাওয়া যাবে। ফিরবে ৫০ বছর আগেকার প্রথা। ৩৪ বছরের বাম জমানায় এ ব্যাপারে কোনও চেষ্টা হয়নি। ২০১১-য় ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গ তুললেও, ১০ বছরে তা এগোয়নি।

ফের দুই কক্ষবিশিষ্ট রাজ্য হবে বাংলাও

ফের দুই কক্ষবিশিষ্ট রাজ্য হবে বাংলাও

দেশে এখনও কিছু রাজ্যে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। অর্থাৎ সংসদে যেমন দুই কক্ষ রাজ্যসভা আর লোকসভা, তেমনই রাজ্যেও দুটি কক্ষ- বিধান পরিষদ আর বিধানসভা। এই দুই কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে। ১৯৫২ সাল থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত বাংলাতেও ছিল বিধান পরিষদ। যুক্তফ্রন্ট সরকার এসে তা তুলে দেয়।

বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর পুনর্গঠনের নজির

বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর পুনর্গঠনের নজির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় হলে ফের বিধান পরিষদ ফিরে আসবে বাংলায়। বিধান পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর পুনর্গঠনের নজিরও এই দেশে রয়েছে। আশির দশকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিধান পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়েছিল। ২০০৭ সালে তা ফিরিয়ে আনা হয়। বিধান পরিষদ গঠন করতে গেলে বিধানসভায় প্রস্তাব পাস করাতে হয়। তারপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে।

বিধান পরিষদের টুকিটাকি একনজরে

বিধান পরিষদের টুকিটাকি একনজরে

সংবিধান অনুযায়ী, বিধান পরিষদের সদস্যসংখ্যা বিধান পরিষদের এক তৃতীয়াংশের বেশি হবে না। সেক্ষেত্রে রাজ্যে বিধান পরিষদ গঠিত হলে সর্বাধিক সদস্যসংখ্যা হবে ৯৮। বিধানসভায় কোনও দলের বিধায়ক সংখ্যার ভিত্তিতে বিধান পরিষদে সেই দলের সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। নির্বাচিত হন পুরসভা ও পঞ্চায়েত সদস্যের মাধ্যমে। বিধান পরিষদে থাকেন রাজ্যপাল-মনোনীত সদস্যও। মেয়াদ হয় রাজ্যসভার মতো ছ-বছর। প্রতি দু-বছর অন্তর এক তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর নেন।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *