মমতার হোম টার্ফে হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ক ‘খেলা’ ঘুরিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে হাইভোল্টেজ পিচে বাউন্ডারি তৃণমূলের

[ad_1]

দক্ষিণবঙ্গ ও প্রশান্ত

মূলত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ভোট স্ট্র্যাটেজি ঠিক করার সময়ই দিদির ভোট সারথী প্রশান্ত কিশোর দক্ষিণবঙ্গকে পাখির চোখ করেছিলেন। এই দক্ষিণবঙ্গের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল হিন্দিভাষী ভোট। মূলত বিহার, ঝাড়খন্ড সীমান্ত বরাবর বাংলার লাগোয়া এলাকায় হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ক যেমন রয়েছে , তেমনই উত্তরের কিছু অংশ বাদে কলকাতা , হাওড়া এলাকায় এই ভোটব্যাঙ্কের উজ্জ্বল অবস্থান দেখা গিয়েছে। লোকসভা ভোটে কলকাতায় খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের জমি ভবানীপুরের কিছু অংশের ভোটিং ট্রেন্ড দিদির থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। মনে করা হয় এর নেপথ্যে ভবানীপুরের হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। সেই জায়গা থেকে ২০২১ লোকসভা ভোটে তৃণমূল হৃত জমি পুনরুদ্ধার করেছে বলে দেখা যাচ্ছে পরিসংখ্যানে।

 কীভাবে কেল্লা ফতে করল তৃণমূল!

কীভাবে কেল্লা ফতে করল তৃণমূল!

২০১৯ লোকসভা ভোটে যে হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ক মমতার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, তারাই আবার ২০২১ ভোটে বিজেপির থেকে খানিকটা সরে এসেছে বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের। জোড়াসাঁকো কেন্দ্রে এবছরের ভোটে তৃণমূলের বিবেক গুপ্তা দলের লিড কার্যত দ্বিগুণ করে দেখিয়েছেন। উল্লেখ্য এই এলাকায় হিন্দিভাষীদের ভোটব্যাঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ। এই আসনের ১১ ওয়ার্ডে বিজেপি ৫ টায়, তৃণমূল ৬ টায় লিডে ছিল। এই এলাকায় পোস্তা, বড়বাজার, কলেজ স্ট্রিট, গিরীশ পার্ক এর মতো জায়গা ছিল। ৩৭ , ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের মতো মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূল দাপট মহাপারাক্রমে ধরে রেখেছিল।

 হিন্দিভাষী সেল ও মমতা

হিন্দিভাষী সেল ও মমতা

প্রসঙ্গত, নিজের হিন্দিভাষী সেলকে চাঙ্গা রাখতে ভোটের আগে দিদি হাইভোল্টেজ বৈঠকে জোরালো বার্তা দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিহারের আরজেডি থেকে ঝাড়খন্ডের জেএমএম, উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির মতো দল মমতার পাশে এসে দাঁড়ানোয়, তা বাংলার ভোটে জোরালো প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। যার সরাসরি সুফল নিজের হোমটার্ফ কলকাতাতে পেয়েছেন মমতা। দেখা যাচ্ছে যে হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ক এককালে তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়েছে , তাঁরাই আবার মমতা শিবিরে ফিরে এসেছে।

বিজেপি ও তৃণমূলের ব্যাখ্যা

বিজেপি ও তৃণমূলের ব্যাখ্যা

প্রসঙ্গত শ্যামপুকুরের মতো এলাকায় বিজেপির ভোট কমতিতে যাওয়া নিয়ে গেরুয়া শিবিরের দাবি, সেখানে বহু মানুষই করোনার জেরে ভোট দিতে আসেননি। যার প্রভাব ফলাফলে পড়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল দাবি করছে, ২০১৯ সালে বিজেপি হিন্দিভাষী ভোটব্যাঙ্ককে পথভ্রষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। তৃণমূলের দাবি, ভোটাররা জানেন ঘাসফুল সবার জন্য রয়েছে, আর তা জেনেই এই ভোটিং ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *