মুকুলকে বাদ দিয়েই ভাবছে বিজেপি! ‘দলনেতা’র লড়াই শুভেন্দুর সঙ্গে সঙ্ঘ-ঘনিষ্ঠের

[ad_1]

মুকুল-শুভেন্দুর লড়াইয়ে সামিল তৃতীয় নেতা

শনিবার কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব বঙ্গের পরিষদীয় দলনেতা স্থির করতে বৈঠকে বসে। সেই বৈঠকেই দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয় পরিষদীয় নেতা নির্বাচনে। মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে বিরোধী দলনেতার লড়াই সীমাবদ্ধ বলে প্রথমে মনে হলেও, পরে সেই লড়াইয়ে হাজির হয়েছেন মনোজ টিগ্গাও।

মুকুল রায়কে নিয়ে যখন ঘোরতর জল্পনা

মুকুল রায়কে নিয়ে যখন ঘোরতর জল্পনা

মুকুল রায় প্রথমবার ভোটে জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হলেও সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। তিনি শিবির বদল করতে পারেন, এমন আশঙ্কাও তাড়া করে বেড়ায় বিজেপির অন্দরে। তারপর যদিও মুকুল রায় বিবৃতি দিয়ে জানান, তিনি বিজেপিতে থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর লড়াই চালিয়ে যেতে চান। কিন্তু পরিষদীয় নেতার লড়াই থেকে ততক্ষণে তিনি পিছু হটেছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

লড়াইয়ে টিগ্গা, সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ নেতার হয়ে সওয়াল

লড়াইয়ে টিগ্গা, সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ নেতার হয়ে সওয়াল

মুকুল রায় এই লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ার পরও অবশ্য শুভেন্দু অধিকারী পথ পরিষ্কার নয়। শুভেন্দুর সঙ্গে পরিষদীয় দলনেতার লড়াইয়ে সামিল গতবারের পরিষদীয় নেতা মনোজ টিগ্গা। মনোজ টিগ্গা আরএসএস ঘনিষ্ঠ। বিজেপির একাংশ চাইছে কোনও আদি নেতা ওই চেয়ারে বসুন। তৃণমূল ত্যাগী কোনও নেতাকে ওই আসন দেওয়া সমীচিন হবে না।

মুকুল বাদ, শুভেন্দু বনাম মনোজের লড়াই বিজেপিতে

মুকুল বাদ, শুভেন্দু বনাম মনোজের লড়াই বিজেপিতে

মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী দুজনেই অনুপস্থিত ছিলেন পরিষদীয় দলের বৈঠকে। তাই কে হবেন পরিষদীয় দলনেতা, তা নিয়ে সংশয় থেকেই গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এ বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়াব নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এরপরেই দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

মুকুল বা শুভেন্দু নন এগিয়ে মনোজ টিগ্গা

মুকুল বা শুভেন্দু নন এগিয়ে মনোজ টিগ্গা

দলের বৃহদাংশের দাবি, মুকুল রায় বা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে কাউকেই পরিষদীয় দলনেতা বা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা করা ঠিক নয়। আদি বিজেপির নেতা ও আরএসএস ঘনিষ্ঠ মনোজ টিগ্গা গতবারও পরিষদীয় দলনেতার পদ সামলেছিলেন। দিলীপ ঘোষ সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি হন পরিষদীয় দলনেতা। তাঁকেই চাইছেন বিজেপির আদি নেতা-কর্মীরা।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *