শুটিংয়ে করোনার কোপ, ভিক্ষার ঝুলি হাতে রাস্তায় মহানায়কের সহ-অভিনেতা

[ad_1]

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে কাজ নেই। খাওয়ার পয়সা নেই। অভাবের তাড়নায় রাস্তায় ভিক্ষা পর্যন্ত করতে হয়েছে টলিউডের ৭০ বছরের অভিনেতা শংকর চৌধুরী। একদিন উত্তমকুমার, সলিল চৌধুরীর মতো মানুষের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। কিন্তু আজ নিদারুণ দারিদ্রে হাত পাততে বাধ্য হয়েছেন। প্রবীণ অভিনেতার এই করুণ কাহিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে তুলে ধরেন টেলিভিশনের ‘বামাক্ষ্যাপা’ নামে সব্যসাচী চৌধুরী (Sabyasachi Chowdhury)।

শনিবার বেলা এগারোটা নাগাদ শংকর চৌধুরীর ছবি পোস্ট করে সব্যসাচী জানান, দীর্ঘ ৫০ বছরের অভিনয় জীবন ৭০ বছরের অভিনেতার। এরপরই লেখেন, “দেখা হলেই এখনো পুরোনো দিনের গল্প বলেন, উত্তম কুমার, সলিল চৌধুরী আরো কতজনের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা বলেন। দুঃখ করে বললেন, বাংলার থিয়েটারটা শেষ হয়ে গেল, এক কালে মাস মাইনা ছিল, বোনাস ছিল। দিল্লী ও বম্বে থেকে নাম করা অভিনেতারা আসতেন, আর এখন হলগুলো দেখলে কষ্ট হয়।” শেষ ‘সৌদামিনীর সংসার’ ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ ধারাবাহিকেও তিন দিনের কাজ করেছিলেন বলে জানান সব্যসাচী। কিন্তু তারপরই কাজ ছিল না। খাবারের পয়সাটুকু না থাকায় হাতিবাগানের মোড়ে হাত পেতেছিলেন প্রবীণ অভিনেতা। নিজের স্ত্রী এবং ছোট নাতিকে নিয়ে থাকেন গৌরীবাড়ির মোড়ে এক জরাজীর্ণ বাড়িতে। সেকথা সব্যসাচীকে জানান তিনি। তাঁর বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং টাকা পাঠানোর একাধিক মাধ্যমের কথা জানিয়েছিলেন ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ ধারাবাহিকের অভিনেতা। সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন ক্যানসার অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মাও ( Aindrila Sharma)।

[আরও পড়ুন: শতবর্ষে সত্যজিৎ রায়: আজও কেন এই নামের কোনও উত্তরসূরি নেই বাংলা সিনেমায়?]

সব্যসাচীর এই পোস্টেই কাজ হয়। বেলা চারটে নাগাদ আবার ফেসবুকে সেকথা জানিয়ে সব্যসাচী লেখেন, “১২ ঘন্টা আগে শংকর ঘোষালকে নিয়ে পোস্টটি করেছিলাম। এই ১২ ঘন্টায় শংকরদার অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪০ হাজার টাকা ঢুকেছে, তার বাড়িতে আগামী এক মাসের খাবার ঢুকেছে। ওষুধপত্রও চলে আসবে আজকালের মধ্যে। সব চেয়ে বড় কথা, একটা কাজেরও ব্যবস্থা হয়েছে।” এক খুদে স্কুল পড়ুয়া ১১ টাকা পাঠিয়েছে বলেও জানান সব্যসাচী।

[আরও পড়ুন: ঠিক যেন সত্যজিৎ রায়! অনীক দত্তর নতুন ছবি ‘অপরাজিত’র ফার্স্টলুকে চমকে দিলেন আবির ]

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *