শুভেন্দু-ফ্যাক্টরে তৃণমূলের সংগঠন ধাক্কা খাবে পূর্ব মেদিনীপুরে? দাওয়াই খুঁজছেন নয়া কাণ্ডারি

[ad_1]

তৃণমূলের সংগঠনে কোনওভাবেই ধাক্কা খাবে না

অধিকারী পরিবারের হাত থেকে জেলা তৃণমূলের রাশ এখন বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা বলে পরিচিত তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র ও কো-অর্ডিনেটর অখিল গিরিদের হাতে। শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর তৃণমূল জেলা সভাপতি বলেন, তৃণমূলের সংগঠনে কোনওভাবেই ধাক্কা খাবে না।

অধিকারীদের গড় হলেও তৃণমূলটা মমতার দল

অধিকারীদের গড় হলেও তৃণমূলটা মমতার দল

তাঁর কথায়, অধিকারীদের দাপট ছিল, তা অনস্বীকার্য। কিন্তু তাঁরা তখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল- এ কথা ভুললে চলবে না। অধিকারীরা না থাকা সত্ত্বেও আমরা কিন্তু ৯টি আসনে জিতেছি। আর ওঁরা জিতেছে সাতটি আসনে। তাহলেই পূর্ব মেদিনীপুর আর অধিকারী দুর্গ বলা ঠিক হবে না।

শুভেন্দু দল ছাড়তে তৃণমূল দু-ভাগ হয়ে গিয়েছে

শুভেন্দু দল ছাড়তে তৃণমূল দু-ভাগ হয়ে গিয়েছে

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বিজেপি পূর্ব মেদিনীপুরে যে কটি আসনে জিতেছে, তার কৃতিত্ব সিংহভাগ অধিকারীদের। শুভেন্দু অধিকারী-সহ পুরো পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ঝুঁকে পড়ায় জেলার রাজনীতিতে তৃণমূল দু-ভাগ হয়ে গিয়েছে। তার ফলেই দাদার অনুগামীদের দাপটে ওই আসনগুলি গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে।

দাদার অনুগামী মুক্ত হতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস

দাদার অনুগামী মুক্ত হতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে, বিধানসভা ভোটেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, কারা কোন দিকে। আরও যারা দাদার অনুগামী তৃণমূলে রয়েছে, আমরা তাদের থেকে মুক্ত হতে চাইছে। এই জেলায় তৃণমূল তার নিজের ছন্দে এগিযে যাবে। সংগঠনও অটুট থাকবে। অধিকারীদের বাদ দিয়ে যে সংগঠনটা থাকবে দলের, সেটাই হবে তৃণমূলের প্রকৃত সংগঠন। এরপর স্বাভাবিক ধারা মেনে এগোবে সংগঠন।

তৃণমূলের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ পূর্ব মেদিনীপুর

তৃণমূলের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ পূর্ব মেদিনীপুর

অন্যদিকে, শুভেন্দুকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা করে বিজেপি আগামী দিনে গোটা রাজ্যে পদ্মফুল ফোটানোর মরিয়া চেষ্টা চালাবে, তা পরিষ্কার। শুভেন্দু-গড় পূর্ব মেদিনীপুরে তারা কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করবে। সেদিক দিয়ে তৃণমূলের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সংগঠন ধরে রাখা।

শুভেন্দুর না থাকাতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না

শুভেন্দুর না থাকাতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না

সৌমেন মহাপাত্র মনে করেন, শুভেন্দুর না থাকাতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না। আর তাঁকে নিতে দল খুব একটা চিন্তিত নয়। যে কেউই বিরোধী দলনেতা হতে পারেন। তেমনই শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা হয়েছেন। তাতে বিজেপির লোকেরা খুশি হতে পারেন, কিন্তু তৃণমূলের কিছু এসে যায় না। তৃণমূল চলবে তৃণমূলের মতোই।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *