সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হলেও জনসংযোগে নন, একুশে ব্যর্থতার কারণ দর্শালেন বামেরা

[ad_1]

বাম রাজনীতি অবশ্য এখানেই শেষ হবে না

বামফ্রন্ট তথা সিপিএম এবার নতুন মুখ আনার জন্য প্রবীণ প্রার্থীদের আড়ালে করেছিল। প্রায় ৯০ জন তরুণ প্রার্থীকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল এবার। কিন্তু তারা ভোটে আঁচড় কাটতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রাক্তন বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য বলেন, বাম রাজনীতি অবশ্য এখানেই শেষ হবে না। এটি আবার ফিরে আসবে। তবে নেতাদের অবশ্যই মানুষের হারানো বিশ্বাস ফিরে পেতে হবে।

দুটি সাম্প্রদায়িক দলের লড়াইয়ে প্রান্তিক শক্তি বামে

দুটি সাম্প্রদায়িক দলের লড়াইয়ে প্রান্তিক শক্তি বামে

বামফ্রন্টের পক্ষে সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য হান্নান মোল্লাও উপরিউক্ত মতামতকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, দুটি সাম্প্রদায়িক দলের লড়াইয়ে প্রান্তিক শক্তি হয়ে উঠেছিল বামফ্রন্ট। কমিউনিস্ট পার্টি এই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে আটকা পড়ে গিয়েছিল। রাজ্য বহু স্তরে মেরুকৃত হয়েছিল। ফলে আমরা প্রান্তিক শক্তি হয়ে গিয়েছি।

ধর্মনিরপেক্ষ ও সংখ্যালঘুদের ভোট তৃণমূলের দিকে

ধর্মনিরপেক্ষ ও সংখ্যালঘুদের ভোট তৃণমূলের দিকে

তিনি বলেন, বিজেপিকে আটকাতে সংখ্যালঘু ও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। যদিও হিন্দু ভোটের বেশিরভাগ গিয়েছিল বিজেপির পক্ষে। আসলে, আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ ও সংখ্যালঘুদের ভোট তৃণমূলের দিকে গিয়েছে। সিপিআইয়ের সন্তোষ রানা বলেছেন, বামফ্রন্ট রাজ্যে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মেরুকরণ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে বামেরা

মেরুকরণ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে বামেরা

তাঁর কথায়, “বাংলায় নিরঙ্কুশ ধর্মীয় মেরুকরণ হয়েছে। আমরা কমিউনিস্ট হিসাবে বিজেপি এবং তৃণমূল উভয়ের দ্বারা এই মেরুকরণ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা আমাদের কর্মী-নেতাদের সমর্থন করতে পারিনি। যারা গত দশ বছরে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছিল, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে পারিনি। তবে আমরা আবার লড়াই করে ফিরে আসব। আমরা শীঘ্রই ক্ষমতায় ফিরতে না পারলেও আমরা অবশ্যই একটি বড় শক্তি হিসাবে বাংলার রাজনীতিতে ফিরে আসব।

জনগণের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন বামেদের

জনগণের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন বামেদের

তবে বামেরা সাম্প্রদায়িক শক্তির লড়াই বা ভোট মেরুকরণের দোহাই দিলেও বাম দলগুলি যে মানুষের কাছে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছে, ভোটারদের সংস্পর্শে আসতে পারেনি, তাও স্বীকার করে নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থনা মেনে নিয়ে তাঁরা বলেছেন, বাম প্রার্থীরা মানুষের দরবারে পৌঁছতে পারেনি এবং বাংলার পরিবর্তিত আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি অধ্যয়ন করেনি।

বামেরা অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে একুশের নির্বাচনে, তবু আলোর রেখার খোঁজ চলছেবামেরা অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে একুশের নির্বাচনে, তবু আলোর রেখার খোঁজ চলছে

সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়, জনসংযোগে নন

সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়, জনসংযোগে নন

বামেরা উপলব্ধি করেছে, তরুণ মুখগুলি সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়, কিন্তু সমাজে ততটা সক্রিয় নয়। নেতারা ফেসবুক বা টুইটারের মাধ্যমে তাঁদের বেস তৈরি করতে পারবেন না। তাঁদের মাটিতে নেমে বেস তৈরি করতে হবে। রাজনীতেত নবাগত তরুণ-তুর্কি নেতাদের সেই কাজটা করতে হবে বলে মনে করেন ফরওয়ার্ড ব্লকের সিনিয়র নেতা নরেন চট্টোপাধ্যায়।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *