হিন্দু ও মুসলিম ভোটের প্রভাব, বাংলার সব থেকে বেশি ব্যবধান এবং কম ব্যবধানের সাত আসন

[ad_1]

সব জায়গায় বিজেপি হিন্দু ভোট পায়নি

বিজেপি হিন্দু ভোট সব জায়গায় পায়নি। যা ফলাফলের বিশ্লেষণ করলেই পাওয়া যাবে। এর প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে সাতটি সব থেকে কম ব্যবধানে জেতা এবং সব থেকে বেশি ব্যবধানে জেতা সাতটি আসনের ফলাফল থেকে। কেননা বেশি ভোটে জেতা সব আসনই তৃণমূল দখল করেছে। যার মধ্যে হিন্দু প্রধান মালতিপুর এবং বসিরহাট উত্তরও রয়েছে।

সাতটি কম ব্যবধানে জয়ের আসন

সাতটি কম ব্যবধানে জয়ের আসন

সাতটি কম ব্যবধানে জয়ের আসনের শুরুতেই উল্লেখ করতে হয় দিনহাটার কথা। যেখানে বিজেপি জিতেছে মাত্র ৫৭ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৬৯ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৩১ শতাংশ। বলরামপুরে বিজেপি জিতেছে ৪২৩ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৯১ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৯ শতাংশ। দাঁতনে তৃণমূল জিতেছে ৬২৩ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৮৮ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ১২ শতাংশ। কুলটিতে বিজেপি জিতেছে ৬৭৯ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৭৯ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ২১ শতাংশ। তমলুকে তৃণমূল জিতেছে ৭৯৩ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৮৬ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ১৪ শতাংশ। জলপাইগুড়িতে তৃণমূল জিতেছে ৯৪১ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৮৯ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ১১ শতাংশ। ঘাটালে বিজেপি জিতেছে ৯৬৬ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৮৬ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ১৪ শতাংশ।

 সাতটি বেশি ব্যবধানে জয়ের আসন

সাতটি বেশি ব্যবধানে জয়ের আসন

সাতটি বেশি ব্যবধানে জেতা আসনের মধ্যে রয়েছে সুজাপুর। ১৩০১৬৩ ভোটে জিতেছে তৃণমূল। সেখানে হিন্দু ভোট ৭৮ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ২২ শতাংশ। মেটিয়াবুরুজে তৃণমূল জিতেছে ১১৯৬০৪ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৭২ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ২৮ শতাংশ। ভগবানগোলায় তৃণমূল জিতেছে ১০৬০০৮ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ২১ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৭৯ শতাংশ। রঘুনাথগঞ্জেও তৃণমূল জিতেছে। ব্যবধান ৯৮৩১৩ ভোট। সেখানে হিন্দু ভোট ২৭ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৭৩ শতাংশ। ৯৮২৪৬ ভোটে মুরারইয়ে জিতেছে তৃণমূল। সেখানে হিন্দু ভোট ৩৯ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৬১ শতাংশ। মালতিপুরে তৃণমূল জিতেছে ৯১৯৪৯ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৬৮ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ৩২ শতাংশ। বসিরহাট উত্তরে তৃণমূল জিতেছে ৮৯৩৫১ ভোটে। সেখানে হিন্দু ভোট ৭২ শতাংশ আর মুসলিম ভোট ২৮ শতাংশ। আরও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল এই সাত আসনেই তৃণমূলের প্রার্থীরা মুসলিম সম্প্রদায়ের।

xmodi tns3 1575016049.jpg.pagespeed.ic.XIH6YNE3llউত্তরে ঝোড়ো ব্যাটিং বিজেপির! পরাজয় মানলেন মমতার প্রভাবশালী তিন প্রাক্তন মন্ত্রী

মুসলিম ভোটের বিভাজন হয়নি

মুসলিম ভোটের বিভাজন হয়নি

গেরুয়া শিবিরের তরফে ধরে নেওয়া হয়েছিল আব্বাস সিদ্দিকি কিংবা ওয়েইসিরা বাংলার মুসলিম ভোটে ভাগ বসাবে। কিন্তু ফলাফল থেকে পরিষ্কার মুসলিম ভোট তৃণমূলের পক্ষেই গিয়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *